এক পাকিস্তানি তরুণীর গল্প শোনালেন মির্জা ফখরুল

এক পাকিস্তানি তরুণীর জীবন কাহিনি পড়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন ‘হতাশ’ হয়ে পড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই পাকিস্তানি তরুণী কঠিন পরিবেশে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন

যেভাবে, ফখরুলের বিশ্বাস বাংলাদেশেও বিএনপি একইভাবে কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে। দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবদিক ইউনিয়নের একাংশের যৌথ

আয়োজনে এক আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন ফখরুল। পাশের চেয়ারে বসা আমার দেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের দিকে তাকিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে বসে

অনেক কথা হচ্ছিল, তিনি মাঝে মাঝে ফ্রাসট্রেশনে (হতাশায়) ভোগেন, আমিও ভুগি। আমরা সবাই কিন্তু কমবেশি ভুগি।’ পাকিস্তানি তরুণীর কাহিনি তুলে ফখরুল জানান, তার বিশ্বাস জেগেছে, খারাপ

পরিস্থিতিই শেষ কথা নয়। বলেন, ‘‘কয়েকদিন আগে একটা সোশ্যাল মিডিয়াতে পাকিস্তানি এক মেয়ের তার জীবনের কথা শুনছিলাম। মেয়েটা পঙ্গু হয়ে গেছে একটা কার অ্যাক্সিডেন্টে (দুর্ঘটনায়)। তার বিয়ে

হয়েছিল মাত্র কয়েক মাস আগে। কার অ্যাক্সিডেন্টে তার স্বামী বেঁচে যায়, কিন্তু সে পঙ্গু হয়ে যায়। পঙ্গু হওয়ার পরে, সে কীভাবে সংগ্রাম করে, লড়াই করে টিকে আছে এবং সে আজকে পৃথিবীতে মোটামুটি

লড়াকু মহিলা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেটা দেখার পর থেকে আমার মনে হয়েছে, না হতাশাই শেষ কথা নয়। মানুষ অবশ্যই লড়াই করবে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাঁচতে হবে।’ ‘আমরা রাজনীতিক দল

হিসেবে, একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে সব সময় গণতন্ত্রের রাস্তাটা খুঁজি। একটা পরিসর খুঁজি, স্পেস খুঁজি। ডেমোক্রেসির একটা স্পেস থাকলে আমরা একটু

কমফোরটেবল ফিল করি; আমি একটা বক্তৃতা করব, আমি মাঠের মধ্যে একটা জনসভা করব, আমি রাস্তায় মিছিল করব, আমার বক্তব্যগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরব। জনগণ একসময় আমাদের সঙ্গে

আসবে। এটাই আমরা অতীতে দেখেছি।’ ‘এখনকার পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। একটা ভীতি, ত্রাসের ফোবিয়া ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। গত কয়েক বছরে তাদের নিপীড়ন, নির্যাতন, হত্যা, শিশুকে আটকে রেখে

ব্লাকমেইল-কী না হয়েছে?’ ‘গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব খালেদার’- বিএনপি মহাসচিবের দাবি, স্বাধীন বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রের জন্য যদি কাউকে সবচেয়ে কৃতিত্ব দেয়া যায়, তিনি হলেন

বেগম খালেদা জিয়া। বলেন, ‘সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতিতে আসা। সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই বয়সেও তিনি কারাগারে।’ ‘এই সরকারকে কী বলব, বলার ভাষাই নেই আমাদের। নিলর্জ্জ! তাকে উপযুক্ত

চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। ভাবখানা এমন যদি এভাবেই শেষ হয়ে যায় তাহলে আপদ গেল। কারণ ক্ষমতায় আসার প্রধান বাধা হলো খালেদা জিয়া।’ খালেদা জিয়া এখনও জনপ্রিয় নেত্রী উল্লেখ করে ফখরুল

বলেন, ‘তিনি যে বাঁশি বাজাবেন সেই বাঁশিতে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ রাজপথে নামবে। এটা আমরা বিশ্বাস করি এবং এটা ঘটবে, এজন্য তারা এভাবে তাকে আটকে রেখেছে।’ ‘এখন আমাদের দায়িত্ব

হলো সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে সাহস জাগানো। আর তরুণদের কাছে আমি সব সময় যে কথাটা বলি, জেগে উঠতে হবে। পৃথিবীর যে কোনো দেশে, যে কোনো সমাজে তরুণরা ছাড়া সমাজকে জাগাতে পারবে না। তরুণদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে।’

এক পাকিস্তানি তরুণীর গল্প শোনালেন মির্জা ফখরুল

এক পাকিস্তানি তরুণীর জীবন কাহিনি পড়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন ‘হতাশ’ হয়ে পড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই পাকিস্তানি তরুণী কঠিন পরিবেশে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন

যেভাবে, ফখরুলের বিশ্বাস বাংলাদেশেও বিএনপি একইভাবে কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে। দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবদিক ইউনিয়নের একাংশের যৌথ

আয়োজনে এক আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন ফখরুল। পাশের চেয়ারে বসা আমার দেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের দিকে তাকিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে বসে

অনেক কথা হচ্ছিল, তিনি মাঝে মাঝে ফ্রাসট্রেশনে (হতাশায়) ভোগেন, আমিও ভুগি। আমরা সবাই কিন্তু কমবেশি ভুগি।’ পাকিস্তানি তরুণীর কাহিনি তুলে ফখরুল জানান, তার বিশ্বাস জেগেছে, খারাপ

পরিস্থিতিই শেষ কথা নয়। বলেন, ‘‘কয়েকদিন আগে একটা সোশ্যাল মিডিয়াতে পাকিস্তানি এক মেয়ের তার জীবনের কথা শুনছিলাম। মেয়েটা পঙ্গু হয়ে গেছে একটা কার অ্যাক্সিডেন্টে (দুর্ঘটনায়)। তার বিয়ে

হয়েছিল মাত্র কয়েক মাস আগে। কার অ্যাক্সিডেন্টে তার স্বামী বেঁচে যায়, কিন্তু সে পঙ্গু হয়ে যায়। পঙ্গু হওয়ার পরে, সে কীভাবে সংগ্রাম করে, লড়াই করে টিকে আছে এবং সে আজকে পৃথিবীতে মোটামুটি

লড়াকু মহিলা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেটা দেখার পর থেকে আমার মনে হয়েছে, না হতাশাই শেষ কথা নয়। মানুষ অবশ্যই লড়াই করবে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাঁচতে হবে।’ ‘আমরা রাজনীতিক দল

হিসেবে, একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে সব সময় গণতন্ত্রের রাস্তাটা খুঁজি। একটা পরিসর খুঁজি, স্পেস খুঁজি। ডেমোক্রেসির একটা স্পেস থাকলে আমরা একটু

কমফোরটেবল ফিল করি; আমি একটা বক্তৃতা করব, আমি মাঠের মধ্যে একটা জনসভা করব, আমি রাস্তায় মিছিল করব, আমার বক্তব্যগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরব। জনগণ একসময় আমাদের সঙ্গে

আসবে। এটাই আমরা অতীতে দেখেছি।’ ‘এখনকার পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। একটা ভীতি, ত্রাসের ফোবিয়া ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। গত কয়েক বছরে তাদের নিপীড়ন, নির্যাতন, হত্যা, শিশুকে আটকে রেখে

ব্লাকমেইল-কী না হয়েছে?’ ‘গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব খালেদার’- বিএনপি মহাসচিবের দাবি, স্বাধীন বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রের জন্য যদি কাউকে সবচেয়ে কৃতিত্ব দেয়া যায়, তিনি হলেন

বেগম খালেদা জিয়া। বলেন, ‘সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতিতে আসা। সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই বয়সেও তিনি কারাগারে।’ ‘এই সরকারকে কী বলব, বলার ভাষাই নেই আমাদের। নিলর্জ্জ! তাকে উপযুক্ত

চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। ভাবখানা এমন যদি এভাবেই শেষ হয়ে যায় তাহলে আপদ গেল। কারণ ক্ষমতায় আসার প্রধান বাধা হলো খালেদা জিয়া।’ খালেদা জিয়া এখনও জনপ্রিয় নেত্রী উল্লেখ করে ফখরুল

বলেন, ‘তিনি যে বাঁশি বাজাবেন সেই বাঁশিতে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ রাজপথে নামবে। এটা আমরা বিশ্বাস করি এবং এটা ঘটবে, এজন্য তারা এভাবে তাকে আটকে রেখেছে।’ ‘এখন আমাদের দায়িত্ব

হলো সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে সাহস জাগানো। আর তরুণদের কাছে আমি সব সময় যে কথাটা বলি, জেগে উঠতে হবে। পৃথিবীর যে কোনো দেশে, যে কোনো সমাজে তরুণরা ছাড়া সমাজকে জাগাতে পারবে না। তরুণদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে।’

শিবির নেতাকে বিয়ে অনুষ্ঠান থেকে আটকের পর পুলিশের অস্ত্র নাটক!

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আটকের পর অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে শিবির নেতার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দিয়েছে পুলিশ। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাজশাহী

শহরের শাহমাখদুম থানার পোষ্টাল একাডেমি অডিটোরিয়মে এক বিয়ের প্রোগ্রাম থেকে ইসলামি ছাত্রশিবির রাজশাহী মহানগরীর সাবেক সভাপতি মঞ্জুর রহমান মনিরকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এসময়

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ৫জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্থানীয় জামায়াত নেতা আইয়ুব আলীকেও আটক করা হয়। পরবর্তীতে ৫ ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। আটক জামায়াত নেতা আইয়ুব আলী

জামায়াতের ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বলেও জানা গেছে। ডিবি পুলিশের ওসি রাশেদের নেতৃত্বে এস আই হাসানসহ আরো কয়েকজন অংশ নেয় গ্রেফতার অভিযানে। আটকের পরেরদিন বৃহস্পতিবার

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, মঞ্জুরের দেয়া তথ্যে তিন রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা

হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। আদালত তার ৩ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছে। এদিকে পুলিশের

অস্ত্র উদ্ধারের বক্তব্যকে নাটক বলে দাবি করেছেন মঞ্জুরের পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা বলছেন, আসন্ন সিটি নির্বাচনকে টার্গেট করেই কাউন্সিলরপ্রার্থীসহ সাবেক শিবির নেতা মঞ্জুরকে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে

সম্পুর্ণ অন্যায়ভাবে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এখন আবার অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে মঞ্জুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দেয়া হয়েছে। বিরোধী নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ এই

নাটক সাজিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। স্থানীয়রা বলছেন, মঞ্জুরের কাছে কোনো প্রকারের পিস্তল থাকার প্রশ্নই আসে না। আমরা মঞ্জুরকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। আসন্ন নির্বাচনে বিরোধী নেতাকর্মীদের

মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতেই তাকে এবং কাউন্সিলরপ্রার্থীকে আটক করে অস্ত্র নাটক সাজিয়েছে পুলিশ। নিরপরাধ আসামীকে ফাঁসানোর জন্য পুলিশের এমন অস্ত্র উদ্ধার নাটক বহুদিন ধরেই দেশবাসী

প্রত্যক্ষ করে আসছে। স্থানীয় জামায়াত ও শিবির নেতারা বলছেন, টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হককে বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যার ফাঁস হওয়া অডিওতে আমরা দেখেছি কিভাবে পুলিশ নিজেরাই আসামীর

কাছে অস্ত্র দিয়ে উদ্ধারের নাটক করে। দেশবাসী এখন আর বোকা নয়। তারা অবিলম্বে মিথ্যা অস্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং মঞ্জুর ও আইয়ুব আলীর মুক্তি দাবি করেছেন।

তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী চূড়ান্ত

তিনি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। মনোনীতরা হলেন—রাজশাহীতে বর্তমান মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সিলেটে বর্তমান

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং বরিশালে মহানগর বিএনপির সভাপতি মুজিবর রহমান সরোয়ার।বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া

শেষে চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দলটির মনোনয়ন বোর্ড। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে

মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা এই সাক্ষাৎকার নেন। বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার

মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সাক্ষাৎকার শেষে সিলেট সিটি

করপোরেশনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ‘কেন আমাকে মনোনয়ন দিলে বিএনপির লাভ, সেটি তুলে ধরেছি। আশা

করছি, মনোনয়ন পাব এবং দলের জন্য জয় উপহার দিতে সক্ষম হব।’রাজশাহীর মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘আমাকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

আমার সিটি থেকে আর কেউ মনোনয়নও সংগ্রহ করেননি। একমাত্র আমিই মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি।’ বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক

বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ‘সাক্ষাৎকারে আমি আমার অবস্থান তুলে ধরেছি। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার সঙ্গে কাজ করে ধানের শীষের জয় তুলে আনব।’এর আগে গতকাল বুধবার বিএনপির ১৬

নেতা ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে দলীয় মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেন। তবে বৃহস্পতিবার ২৫ হাজার টাকা জামানতসহ ১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারাই মূলত এই সাক্ষাৎকারে হাজির হয়েছিলেন। এই ১৫

নেতা হলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল; সিলেটের বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট মহানগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল

কাইয়ুম জালালী পংকী, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহ-সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মহানগর নেতা ছালাহউদ্দিন রিমন এবং বরিশাল সিটির বর্তমান মেয়র আহসান

হাবীব কামাল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবাদুল হক চাঁন, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন, কেন্দ্রীয়

বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা

খানম নাসরিন।উল্লেখ্য, আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত। পুর্ব পশ্চিম বিডি আরো পড়ুন>> সড়ক দুর্ঘটনায় ২ আম ব্যবসায়ী নিহত নওগাঁ জেলার সাপাহারে গোডাউন পাড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায়

দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ওই দুজন আমের ব্যবসা করতেন। আজ শুক্রবার ভোরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নওগাঁ থেকে একটি ধান বোঝায় ট্রাক চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিলো।

ট্রাকটি সাপাহার বাজার গোডাউন পাড়া মোড়ে আসলে একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ বিষয়ে সাপাহার

থানার ওসি শামছুল আলম শাহ সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে নেয়। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাজপথে নামতে হবে: ভিপি সাইফুল

বগুড়ায় পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে জেলা বিএনপি। এ কর্মসূচীতে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর সুচিকিৎসার

দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ। বেলা ১১টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ের দুই পাশে

কাটাতারের বেরিকেড দিয়ে পুলিশ নবাববাড়ী সড়ক বন্ধ করে দেয় । বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ নিতে বিএনপি , যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদলসহ অন্য সংগঠনের নেতাকর্মিরা মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে

যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বিভিন্ন স্থানে বাঁধা দেয়। তবে পুলিশের সব ধরনের বাধা উপেক্ষা করে তারা বিক্ষোভে যোগ দেন। এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মীর পদভারে নবাববাড়ী রোড পূর্ণ হয়ে ওঠে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে ভিপি সাইফুল বলেন ,এ সরকারের পতন ছাড়া খালেদা

জিয়ার মুক্তি মিলবে না। তাই জীবনের মায়া ত্যাগ করে রাজপথের দখল নিতে হবে। সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার ছাড়া দাবী আদায় হবে না। সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন,

কেন্দ্রীয় নেতা মৃক্তিযোদ্ধা শোকরানা, লাভলী রহমান, আলী আজগর হেনা, বিএনপি নেতা মাহবুব রহমান বকুল, রেজাউল করিম বাদশা, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন,

পরিমল চন্দ্র দাস, আবুল বাশার, অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খান মুক্তা, আব্দুল ওয়াদুদ, সিপার আল বখতিয়ার, শাহাবুল আলম পিপলু, আলী মুররাজি তরুন, মোশারফ হোসেন স্বপন, ছাত্রদলের

সভাপতি আবু হাসান প্রমুখ । আরও পড়ুন- গাজীপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রচারণায় খুলনার মেয়র খালেক গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে

বাড়ছে প্রার্থীদের চুড়ান্ত প্রচার প্রচারনা আর ভোটারদের বাড়ছে আগ্রহ উত্তেজনা । অপরদিকে সম্প্রতি খুলনার অভিজ্ঞতায় উদ্বেগ , উৎকণ্ঠা আর ভীতির কথা জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। গাজীপুর

সিটি নির্বাচনের দিকে এখন সকলেরই নজর রয়েছে। বিভিন্ন দলের কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা এখন যার যার প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ, প্রচারণায় চালাতে ছুটছেন গাজীপুরে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা দিনভর

নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খুলনা সিটির নর্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামীলীগ মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে জেলা শহরের ভোটারদের

কাছে ভোট প্রার্থনা এবং পথসভা ও প্রচরণায় অংশ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমেনাইর পীর মূফতি সৈয়দ ফজলুল করিমসহ অন্যান্য দলের কেন্দ্রীয় দলের নেতৃবৃন্দ

নির্বাচনী কাজে অংশ নেন। নির্বাচনের আমেজ ও উত্তাপ সিটি এলাকাসহ আশেপাশের এলাকাগুলোতেও ক্রমেই ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিকে এসে প্রার্থীরা তাদের বিভিন্ন কৌশলকে কাজে লাগিয়ে

ছুটছেন বিভিন্ন এলাকায় ভোট প্রার্থনা করতে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা বৃহষ্পতিবার সকাল হতে রাত পর্যন্ত ব্যপক গণসংযোগ, বৈঠক ও পথসভার মধ্য দিয়ে ব্যস্ত দিন কাটিয়েছেন।

এদিন প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়, দোকানপাট, কলকারখানায় ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গিয়ে পথসভা ও বৈঠক করে গণসংযোগ করেছেন এবং

প্রচারপত্র বিতরণ করে ভোট চেয়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জোট এবং মহাজোটের শরীকদলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রার্থী ও নেতা কর্মীদের পদচারণায় পুরো এলাকা এখন মুখরিত হয়ে উঠেছে।

কৃষক ঋণ নিলে মামলা হয় আর ব্যাংক লুটেরাদের নাম প্রকাশ হয় না

কৃষক ঋণ নিলে মামলা হয় আর ব্যাংক লুটেরাদের নাম প্রকাশ হয় না
রাজনীতি
June 22, 2018 সংবাদ ডেস্কLeave A Comment On কৃষক ঋণ নিলে মামলা হয় আর ব্যাংক লুটেরাদের নাম প্রকাশ হয় না
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে মূলধন সরবরাহে অর্থমন্ত্রী কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে ঋণের নামে

যে লুটপাট, আগে সেই ব্যাংকের মূলধন পুনর্গঠন করতে বরাদ্দ রাখতেন অর্থমন্ত্রী। এ বছর কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন।’ বৃহস্পতিবার সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব

কথা বলেন। পীর ফজলুর রহমান বলেন, ‘এ বছর অর্থমন্ত্রী ইক্যুইটি রি-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড নামে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রেখেছেন। বাজেটে সরাসরি না এনে কৌশলে করেছেন। কিছু মানুষ ঋণের নামে

টাকা লুট করবে আর জনগণের করের টাকায় মূলধন সরবরাহ করা হবে এটা হতে পারে না।’ ‘ব্যাংক লুটপাটকারীদের’ নাম প্রকাশ না করায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ পীর

ফজলুর রহমান বলেন, ‘বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ব্যাংক খাতের জন্য কমিশন গঠন করবেন। পরদিন বললেন, তিনি করবেন না। কেন করবেন না? কমিশন করলে বের হয়ে আসতো কারা

ব্যাংক লুটপাটে জড়িত। রিজার্ভ ব্যাংক থেকে টাকা চুরি ঘটনা ঘটলো। এই পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করবেন। তিনি সেটা করেননি। সংসদে কথা দিয়ে তিনি

কথা রাখেননি। বাক্স ঢেকে রাখেন কেন? কাদের নাম আছে জাতি জানতে চায়।’ পীর ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘শেয়ার বাজারে কেলেঙ্কারি হলো। বাজার তলানিতে ঠেকেছে। ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে

তদন্ত কমিটি হলো। সেই রিপোর্ট প্রকাশ করলেন না। কাদের স্বার্থে করেন না? কাদের স্বার্থে অর্থমন্ত্রী নিশ্চুপ হয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী কী একাই বাংলাদেশকে টেনে নিয়ে যাবেন আর অর্থমন্ত্রী ব্যাংক চোর শেয়ার

বাজার চোরদের পাহারা দিয়ে যাবেন? ব্যাংকের টাকা যারা নিয়ে যায় তাদের নাম প্রকাশ হয় না। তাদের নাম বলতে লজ্জা কোথায়? কৃষক ঋণ নিলে মামলা হয় আর ব্যাংক লুটেরাদের নাম প্রকাশ হয় না।’

অর্থ বছরের শেষ নাগাদ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ খরচে লুটপাটের অভিযোগ তুলে জাতীয় পার্টির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘জুন মাসে এডিপিতে যে ব্যয় করতে হবে তাতে দুটি পদ্মা সেতু

এই সরকারের উপর আমার কোনো আস্থা নেই: ইবরাহিম বীর প্রতীক

মে.জে.(অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক : ১৯৭২ সালে যে কাজটা করা উচিত ছিল তা করতে এতদিন লেগে গেল। সে কাজটা তৎকালীন সরকারের সদ্য স্বাধীন দেশের অন্যান্য কর্মব্যস্ততার জন্য করা হয়নি।

সদ্য যুদ্ধ ফেরতদের একটা তালিকা করে ফেলা উচিত ছিল। যারা বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করলো তাদের একটা তালিকা করে ফেলা উচিত ছিল। অথবা যারা শহীদ হল তাদের তালিকা করা উচিত ছিল।

কিন্তু সেটা করা হয়নি। এখন বাস্তবতা হল, এই বর্তমান সরকারের মধ্যে একটি মনোভাব পরিলক্ষিত হয়, সেটা হল রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তারা অবহেলা করছে। যদিও এখন তাদের তালিকা করছে।

কারা কারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে আর কারা করেনি ৪৭ বছর পর সেটা খুঁজে বের করা কঠিন কাজ। এই ফাঁকে অনেক ভুয়া ব্যক্তি ঢুকে গেছে। আসল মুক্তিযোদ্ধা যারা ছিল, তাদেরকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে জাতির সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিল। বর্তমান সরকার উল্টা পাল্টা কাজ করছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ যখন এই সরকার ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা ‘মুক্তিবার্তা’ নামে ম্যাগাজিন বের করতো। এবার ক্ষমতায় এসে তারা শুরু করেছে আরেক প্রক্রিয়া।

এই সরকারের উপর আমার কোনো আস্থা নেই যে, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রকাশ করবে এবং তাদের মূল্যায়ন করবে। আমি এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছি।

তবে যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিল এবং বাদ পড়ে গিয়েছে তাদেরকে তালিকা ভুক্ত করার জন্য আশা প্রকাশ করছি। শুনেছি, বারো বছরে অনেকে নাকি মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এই মুহূর্তে আমার নাতি বারো বছরের। তাকে আমি দেখছি। তারা কিভাবে মুক্তিযুদ্ধ করলো? এটা আমার বোধগম্য নয়।

খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, খালেদা জিয়া, বিএনপি ও ২০ দলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা।

যাতে করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও তারা ক্ষমতায় যেতে পারে।’ খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে যারা নির্বাচনের কথা ভাববে, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রীকে অবশ্যই মুক্তি দেবে হবে এবং দেশনেত্রীকে নিয়েই নিয়েই আমরা নির্বাচনে যাব। নির্বাচনে প্রহসন চলবে না।’

আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতিটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে বাধা দেয়া হয়েছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, আপনারা বললেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিশ্বাস করি, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিই না। অথচ এমন কোনো কর্মসূচি নাই, যেখানে আপনারা বাধা দেননি।

এটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। এই প্রতারণা করে আপনারা বেশি দিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন না।’

সরকারের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ক্ষমতায় যদি যেতে চান, তাহলে আপনাদের অবশ্যই সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।

জনগণের সমস্ত অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। মিথ্যা মামলা সবগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে হবে, যে নির্বাচন পরিচালনা করবে একটি নিরপেক্ষ সরকার। তাহলেই আপনাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, অন্যথায় ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই সংবিধান কেটে-ছেঁটে সরকার নিজেদের উপযোগী করে তৈরি করেছে। চিরকাল ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা এটা করেছে।

১৯৭৫ সালে তারা বাকশাল গঠন করেছিল। একদলীয় শাসন করেছিল চিরকাল ক্ষমতায় থাকার জন্য। আজও ভিন্ন পোশাকে চলছে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মোস্তাফা জামাল হায়দার, জাগপার সভাপতি অধ্যাপক রেহানা প্রধান, ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান এম এ রকিব ও বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া প্রমুখ।

লক্ষ মানুষের অভিশাপে তাদের ধ্বংস অনিবার্য: পার্থ

পবিত্র রমজানে যেসব ব্যবসায়ী কারসাজি করে, ভেজাল পণ্য দিয়ে জনগণকে কষ্ট দেয় তাদের সমালোচনা করেছেন ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার

আন্দালিব রহমান পার্থ। তার মতে, রাজনীতিবিদরা এসব অসৎ ব্যবসায়ীর পকেটে। এজন্য রাজনীতিবিদরা এদের বিচার করতে পারবে না। তিনি এই বিচারের ভার আল্লাহর ওপর দিয়েছেন। রোববার বিকালে তরুণ

এই নেতা তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘রমজানের সময় যেইসব ব্যবসায়ী কারসাজি করে বাজারের মূল্য বাড়ায়, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেয়…সিন্ডিকেট করে মূল্য বৃদ্ধি করে, এদের বিচার আমরা

(রাজনীতিবিদরা ) করতে পারব না। কারণ আমাদের বেশির ভাগই এদের পকেটে আছে বা ঢুকে যায়। তবে এদের বিচার আল্লাহ করবে…। লক্ষ মানুষের অভিশাপে তাদের ধ্বংস অনিবার্য।

নবী বলেছেন জয় মক্কা, আমরা বলি জয় বাংলা

মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান না দিলে স্বাধীনতা বিশ্বাস থাকে কী করে, সে প্রশ্ন রেখেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। নতুন প্রজন্মকে এই স্লোগানে বিশ্বাস রাখার আহ্বান জানিয়ে জয় বাংলার

নিন্দা করতে ধর্ম ব্যবহার করে যে সমালোচনা করা হয় তারও জবাব দেন মন্ত্রী। শনিবার মাদারীপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন

শাজাহান খান। নৌমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব সহকারে লক্ষ্য রাখতে হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে যেন কেউ কটাক্ষ না করে। যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা

স্বীকার করে না, জয় বাংলা শ্লোগান দেয় না, সে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।’ শাহাজান খান বলেন, “যারা বলেন ‘জয় বাংলা’ হিন্দুদের শ্লোগান তারা ইসলামের ইতিহাস পড়েন। আমাদের

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) মক্কা বিজয়ের সময় একটি আওয়াজ করেছিলেন ‘ফাতুল মক্কা, ফাতুল মক্কা’। এর আরবি শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘জয় মক্কা, জয় মক্কা’। “যদি আমাদের নবী নিজের মাটির জন্য

‘জয় মক্কা’ বলতে পারেন, তা হলে আমার মাটির বিজয়ের জন্য কেন ‘জয় বাংলা’ বলতে পারব না?’। বিএনপির সমালোচনা করে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণহত্যা দিবস বিএনপি কোন দিন পালন করতে

পারবে না। কারণ বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ২০০২ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় বিশ্বের ১১৪টি দেশ মিলিত হয়ে একটি সম্মেলনে বসেছিলেন এবং সেখানে একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০২ সালের পূর্বে যে

সমস্ত দেশে গণহত্যা হয়েছিল সেসব দেশে এর কোন বিচার হবে না। খালেদা জিয়া আর কোন দিন বলতে পারবে না যে, সে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক।’ তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে

কোন কোন্দল নেই। আমরা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি।’ ‘তরুণই প্রজন্মকেও একই আদর্শ বুকে

ধারই করে রাজনীতিতে সামনের দিকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।’ নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুরর আদর্শ ধারণের পরামর্শ দেন শাজাহান। বলেন, ‘তার দর্শন হচ্ছে ক্ষুধা

ও দারিদ্র্য মুক্ত, শোষণমুক্ত বাংলাদেশ।’ ‘বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা, আমার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশ এই যে বিষয়গুলো চেতনায় দিতে হবে।’ ‘বঙ্গবন্ধুর একটি স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা।

সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। আর তাই সকলকে একত্রে থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে কোন ভেদাভেদ সৃষ্টি করা যাবে না।’ মাদারীপুর জেলা

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি সাইদুল বাশার টফির সভাপতিত্বে সম্মলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান দুর্জয়, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা

সংসদের কমান্ডার শাজাহান হাওলাদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রুবেল খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।