৪৫ পয়সা সর্বনিম্ন কলরেট চালু আজ মধ্যরাত থেকে

আজ সোমবার মধ্যরাত থেকে মোবাইল ফোনের প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন একক কলরেট ৪৫ পয়সা চালু হচ্ছে। এর ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। একই অপারেটরের নম্বরে ফোন করা হলে সেটিকে বলা হয় অননেট আর অন্য অপারেটরে ফোন করা হলে তা হয় অফনেট। সর্বোচ্চ কলরেট আগের মতোই ২ টাকা থাকবে।

দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে আজ সোমবার নির্দেশনা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। অপারেটররাও এই নির্দেশনা কার্যকর করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এখন থেকে আর মোবাইল ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে অফনেট ও অননেট সুবিধা থাকছে না। কলরেটের নতুন সীমা সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা। আর সর্বোচ্চ সীমা ২ টাকা। এত দিন একই অপারেটরে (অননেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২৫ পয়সা আর অন্য অপারেটরে (অফনেট) কল করার সর্বনিম্ন মূল্য ৬০ পয়সা।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর পরিবর্তনের সুবিধা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালুর আগে অননেট ও অফনেট কলের পার্থক্য দূর করা দরকার ছিল। এটা না করা হলে বাজার প্রতিযোগিতায় ছোট অপারেটররা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। নতুন কলরেট অনুযায়ী এখন মোবাইল ফোন অপারেটররা গ্রাহকদের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করবে।

অপারেটরদের দাবি, নতুন কলরেটে গ্রাহকের ফোন করার খরচ কমবে। কারণ এত দিন অননেট কলে সর্বনিম্ন মূল্য কাগজে-কলমে ২৫ পয়সা হলেও প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কলে গড়ে গ্রাহকের খরচ হতো ৪০ পয়সা। আর অফনেট অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কল করার খরচ পড়ে ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৫ পয়সা পর্যন্ত। একক কলরেট চালু হলে অননেট কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়বে, কিন্তু অফনেট কলের খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। এতে গ্রাহকসংখ্যায় পিছিয়ে থাকা অপারেটরের গ্রাহকেরা বেশি সুবিধা পাবেন।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রামীণফোন থেকে ৯০ শতাংশ কল হয় অননেটে, ১০ শতাংশ কল অফনেটে হয়। অন্যদিকে সরকারের মালিকানাধীন অপারেটর টেলিটকের ১০ শতাংশ কল অননেটে ও ৯০ শতাংশ কল অফনেটে হচ্ছে। রবি ও বাংলালিংকের অননেট-অফনেট কলের পরিমাণ ৭০ ও ৩০ শতাংশ।

‘‘দুঃখের মাসে আর দুঃখ বাড়াবেন না’’ – ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘এই দুঃখের (শোক) মাসে আর দুঃখ বাড়াবেন না। আপনি তো বলেছিলেন, চাকরির ক্ষে‌ত্রে কোনো কোটা থাকবে না। তারপরও কোটা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করে এখন নির্যাতন করছেন।’

আজ সোমবার (১৩ অাগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে জাফরুল্লাহ এসব কথা বলেন।
গণমাধ্যমকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের ওপর হামলার বিচার এবং মামলা প্রত্যাহারসহ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী ব‌লেন, ‘রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্র যখন দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে, তখন আমাদের সাধারণ ছাত্ররা দেখিয়ে দিয়েছে, কীভাবে রাষ্ট্র মেরামত করতে হয়। তাদের এই আন্দোলন যে সঠিক ছিল, গতকালও সরকার বলেছে, তার আগে পুলিশ বলেছে। তারপরও গ্রেপ্তার হওয়া ২২ জন সাধারণ ছাত্রকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না কেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তার পরও এই কয় দিনে সাতজন সাধারণ মানুষ কীভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়? তাহলে আপনারা কী দাবি মেনে নিলেন? এটা কি আপনা‌দের চালাকি ছিল? চালাকি করে দেশে উন্নয়ন হয় না।’

ডা. জাফরুল্লাহ আরো ব‌লেন, ‘জনগণের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন। তাদের স্বাধীনভাবে লেখার সুযোগ দিন। তাহলে দে‌শে শান্তি ফিরে আসবে।’ এ সময় তিনি নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ২২ শিক্ষার্থী ও কোটা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিও জানান।

আয়োজক কমিটির পাঠান আজহার উদ্দীন প্রিন্স এর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি সাবেক কমিশনার ফরিদ উদ্দিন,সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, হুমায়ুন কবির বেপারি,ক্বারি রফিকুল ইসলাম, কাদের সিদ্দিক প্রমুখ।

‘‘দুঃখের মাসে আর দুঃখ বাড়াবেন না’’ – ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৪৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ায় দোয়া মাহফিল

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৪৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ায় দোয়া মাহফিল

রবিবার (১২ অাগস্ট) বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে বাদ আছর বগুড়া জেলা বি.এন.পির উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে ও দেশনায়ক তারেক রহমানের ছোট ভাই মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৪৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, মেয়র এ্যাডঃ একেএম মাহবুবুর রহমান, জয়নাল আবেদীন চান, সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, মুক্তিযোদ্ধা শোকরানা, লাভলী রহমান, ফজলুল বারী বেলাল, আব্দুর রহমান, মাহবুবুর বকুল, মতিয়ার রহমান মতি, এম আর ইসলাম স্বাধীন, হামিদুল হক হিরু, তাহা উদ্দিন নাহিন, এ্যাডঃ নাজমুল হুদা পপন, শহিদুন নবী সালাম, খায়রুল বাশার, সিপাল আল বখতিয়ার, মেহেদী হাসান হিমু, সাইদুজ্জামান সাকিল, হুমায়ন কবির গেদা, আমিরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনি, আলী হায়দার তোতা, খাদেমুল ইসলাম, আব্দুল গফুর দারা, সাহাবুল আলম পিপলু, আব্দুল ওয়াদুদ, হাসানুজ্জামান পলাশ,

মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৪৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ায় দোয়া মাহফিল-

আবু হাসান, নুরে আলম ছিদ্দিকী, আলহাজ্ব আকরাম হোসেন মন্ডল, আব্দুল হামিদ মিটুল, মাজেদুর রহমান জুয়েল, ফার্মার রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম বাবলু, আলীমুর রাজী তরুন, লিটন শেখ বাঘা, আব্দুল মোমিন, জহুরুল ইসলাম পলাশ, সাইমুম ইসলাম, এ্যাডঃ শেখ মোখলেছুর রহমান, এ্যাডঃ আতাউর রহমান মুক্তার, রোস্তম আলী, ফজলুল হক উজ্জল, মাহবুবুর রহমান লুলকা, জহুরুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস চাঁন, মোস্তফা হানিফ সোহাগ, জাহিদুল ইসলাম, সাজ্জাদ পিন্টু, তুহিন, কাজী আঃ রশিদ, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, এমডি মুরাদ, রাসেল আহম্মেদ, জুম্মুন আলী, বুলবুল, আজিজুর রহমান বিদ্যুৎ, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা বেলায়েত হোসেন।

কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়, আবার কেউ আইনের নিচেও নয়- রুহুল কবির রিজভী অাহমেদ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য শহিদুল আলমের উপর অকথ্য পুলিশি নির্যাতনকে উৎসাহিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটি বলছে, ভোটারবিহীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় প্রখ্যাত আলোকচিত্রি ড. শহিদুল আলমের গ্রেপ্তার নিয়ে বলেছেন কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
শনিবার (১১ অাগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী অাহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি উপদেষ্টা সাহেবকে মনে করিয়ে দিতে চাই কেউ যেমন আইনের উর্ধ্বে নয়, তেমনি কেউ আবার আইনের নীচেও নয়। No body is the above the law and no body is below it আবার কালো আইন বলে একটি কথা ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে আর কালো আইন বা Bad laws are the worst sorts of tyranny.

রিজভী বলেন, উৎপীড়ন করার জন্যই যে ৫৭ ধারা তথ্য প্রযুক্তি আইনে সংযোজন করা হয়েছে সেটি এখন প্রতি মুহুর্তে ফুটে উঠেছে। কোন বিতর্ক ছাড়াই একদলীয় পার্লামেন্টে তথ্য প্রযুক্তি আইন পাস করে সেই আইনের ৫৭ ধারা প্রযোগ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে টুটি চেপে ধরা হয়েছে। লেখক, বুদ্ধিজীবী, কলামিষ্ট, রাইটসগ্রুপ, মুক্ত চিন্তার মানুষদের মাথার উপরে ৫৭ ধারার তরবারী ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর এই কালো আইনের ৫৭ ধারা নির্মম প্রয়োগে ক্ষত-বিক্ষত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটোগ্রাফার ড. শহিদুল আলমকে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দেশবাসীকে জানাবেন কী কতটুকু আইনের ঊর্ধ্বে উঠলে একজন খ্যাতিমান মানুষ পুলিশী শারিরীক নির্যাতন থেকে রেহাই পান বা পান না ? সভ্যদেশে স্বনামধণ্য মানুষরা দুরে থাক একজন সাধারণ অপরাধীকেও কি শারিরীক নির্যাতনে দৃষ্টান্ত আছে? এর দৃষ্টান্ত থাকলে উৎপীড়নকারী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কি দশা হয় তাওতো জয় সাহেবের অজানা থাকার কথা না। কারণ তিনি তো একটি শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক দেশে থাকেন।

বিএনপির মুখপাত্র বলেন, পরিবহন সেক্টরের অরাজকতার দায়ী নৌমন্ত্রীসহ এ সেক্টরের গডফাদাররা মাফ পেয়ে যান আর শিক্ষার্থীরা ন্যায়ের আন্দোলনের জন্য সরকারি জুলুমের শিকার হন। শিক্ষার্থীরাই আন্দোলন চলাকালে পথচারিদের বলেছে ওভার ব্রিজ ও ফুটপাত ব্যবহার করতে, গাড়ির চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র ঠিকঠাক রাখতে।

তিনি বলেন, লোক দেখানো খসড়া আইন যে একটা শুন্যকুম্ভ সেটা এখন প্রতিমুহুর্তে তার আলামত দেখা যাচ্ছে। সড়কের দুর্ঘটনাতো কমেনি বরং সড়কে লাশের জমায়েত দীর্ঘ হচ্ছে। সড়কে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। পরিবহনখাতে বিশৃঙ্খলা আরও বেড়েছে, যার প্রমাণ মন্ত্রীর গাড়িও রেহাই পায়নি। গতকালও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িকে ধাক্কা দিয়েছে একটি বেপরোয়া বাস, যার চালক ছিল হেলপার।

রিজভী বলেন, আন্দোলন দমানোর নামে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন বেপরোয়া চালকদের আরও বেশী বেপারোয়া করেছে। সড়কে নৈরাজ্য আর ভোগান্তি আরও বেড়েছে। কারণ পরিবহন সেক্টরের হঠকারী ও অবিমৃশ্যকারিতার জনক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান এখনও নির্লজ্জভাবে দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে।

শর্তছাড়া রাজি হলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন রিজভী। শুক্রবার (১০ আগস্ট) আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন- ‘নির্বাচন প্রসঙ্গে পূর্বশর্ত দিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনও আলোচনা নয়, শর্ত ছাড়া যেকোনও বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘শূন্য টেবিলে আলোচনা হয় না। আলোচনার জন্য সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু থাকতে হয়। অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেসব বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। তারা যদি এটা না চায় তাহলে বুঝতে হবে তাদের মন স্বচ্ছ না। তাদের মন সাদা নয়, অফ হেয়াইট (ধূসর)।’

রিজভী বলেন, ‘কোনও এজেন্ডা ছাড়া আলোচনা নয়। একটা গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে আলোচনা হওয়া দরকার সে আলোচনার জন্য তো আমাদের দল সব সময় প্রস্তুত। আর এ ধরনের সংলাপের ডাক তো বিএনপি সব সময়ই দিয়ে যাচ্ছে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দি করে রাখবেন আর নির্বাচনের কথা বলবেন সেটা কিভাবে হয়? নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্তি দিতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। কারণ এই কমিশন নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।’

রিজভী বলেন, ‘বিএনপি সব সময় অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে আসছে। শুধু অংশগ্রহণমূলক হলেই হবে না, নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে। যে নির্বাচনে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন। এসব বিষয়ে সমাধান না হলে সেই নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। বিএনপিও সেই নির্বাচনে অংশ নেবে না।’

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, মিয়া মোহাম্মাদ আনোয়ার প্রমুখ।

অনলাইনে বিএনপি কর্মী সমর্থকদের করনীয় ও সচেতনতা

অনলাইনে বিএনপি কর্মী সমর্থকদের করনীয় ও সচেতনতা- ফেসবুক যে একটা আন্দোলনকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে তা হাঁড়ে হাঁড়ে টের পেয়েছে আওয়ামীলীগ।

যদিও বিএনপি তে তা বুঝার লোক খুব কম। তারা আপনাকে খুঁচা দিয়ে বলবে ফেসবুকে বড় বড় কথা না বলে রাস্তায় নামুন অথচ সেই সব অর্বাচীনরাও কিন্তু আন্দোলনের ধারে কাছে নেই! না অন লাইনে না অফ লাইনে ! এই অর্বাচীনরা বুঝেইনা রাস্তায় মানুষকে নামানোর জন্যও এখন অনলাইন একটা গুরত্ব পূর্ন মাধ্যম।যা প্রমান হয়েছে কোটা আন্দোলনে এবং নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে।

২৪ ঘন্টা 3G 4G বন্ধ করে দিয়েই কিন্তু আন্দোলনকে হত্যা করেছে। অপর দিকে বার বার কোটা বিরোধীদের ৩০/৪০ লাখ ফলোয়ারের আইডি হ্যাকের মাধ্যমেই কিন্তু কোটা আন্দোলনকে ৯০% দূর্বল করেছিল।

অথচ আমাদের বিএনপির কতিপয় মূর্খ্য টাইপের লোক ফেসবুকের গুরত্বটাই উপলব্ধি এখনো করতে পারলনা ! যে কারনে এখনো কোন অনলাইনে কোন শক্তিশালী গ্রুপ তৈরী হতে পারেনি যেখানে ১০ – ৪০/৫০ লাখ সদস্য এক সাথে এক্টিভ থাকে!

অথচ কোটা আন্দোলন কারীদের আইডি/গ্রুপ ৩/৪ বার হ্যাক হওয়ার পরও আবার নতুন করে গ্রুপ তৈরী করে ৩০/৪০ লাখ ফলোয়ার সংগ্রহ হতে সময় লাগে মাত্র ৫/৭ দিন! যা বিএনপির কোন গ্রুপের ৫ বছরে হয় কিনা সন্দেহ!

ব্যক্তিগত আইডি পেইজ গুলোর কথাই ধরুন জয়, পলক, সোহেল তাজদের আইডিতে একটা পোস্ট লাই পরে লক্ষাধিক অথচ আমাদের গরুত্ব পূর্ন কেউতো পেইজই খোলেনা, যাও ২/১ জন খোলে তাদেরকেও আমরা উৎসাহীত করিনা লাইকের খড়ার কথা বলে না হয় লজ্জা নাই দিলাম।

বর্তমানে আধুনিক বিশ্বের ডিজিটাল জামানায় কেউ এনালগ পদ্ধতি অনুসরন করে অনলাইনে সক্রিয়দের যারা খুঁচাতে আসেন এই বলে যে ফেসবুকে বড় কথা না বলে রাস্তায় আসেন তার ৯৫% দেখবেন নিজেতো রাস্তায় নেইই বরং ফেসবুকে তাদের আঞ্চলিক বাপ (নেতা নামক) এর বিজ্ঞাপন প্রচারেই ব্যয় করছে শতভাগ সময়!

এরা অন্যের দ্বারা ফেসবুকে একটা আইডি খুলে স্থানীয় পীরের চামচামি করে আর লিস্টে থাকা আওয়ামীলীগের কর্মীরা যাতে মাইন্ড না করে সেজন্য জীবনে কোনদিন আওয়ামী বিরুধী পোস্ট না দিয়ে ব্যালেন্স করে থাকে। এরাই আবার অনলাইনে যারা সক্রিয় আন্দোলনে জড়িত তাদের সময়ে অসময়ে খাট করার জন্য কমেন্ট বক্স গরম করে।

এখন প্রয়োজন অনলাইনে সক্রিয়দের নিয়ে একটা বিশেষ গ্রুপ তৈরী করা যাদেরকে দলের পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রয়োজন এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণও। যাতে আগামী দিনে অনলাইনেই সারা দেশের কর্মীদের এক ডাকে জড়ো করা যায় এবং যে কোন আন্দোলনকে লক্ষে পৌছে দিতে সহায়ক ভুমিকা রেখে বিজয় নিশ্চিত করতে পারে। বিষয়টি সকলেরই ভেবে দেখা দরকার।

ফেসবুক পোষ্ট- Masum Ashrafee

সেনাবাহিনী বোলিং শুরু করলে ইমরান খান ব্যাটিংয়ে কতক্ষণ টিকতে পারবেন?

পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার প্রহর গুনছেন ইমরান খান। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক দিয়ে রাজনীতিতে নেমে গঠন করেন তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দল গঠনের ২২ বছরের মাথায় সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন। এককভাবে না হলেও কোয়ালিশনের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসছে সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান প্রতিষ্ঠিত পিটিআই। বর্ণাঢ্য জীবনে নানা কারণে বিতর্কিত হলেও পাকিস্তানে এখন বেশ জনপ্রিয় ইমরান খান। এবার দেশ পরিচালনার ভার পড়ছে তাঁর কাঁধে। দেশটির ৬৪ শতাংশ তরুণ এখনো তাঁর সমর্থক। এঁরাই তাঁর শক্তিও। তবে তাঁর ব্যাটিং শুরু হলেও কতক্ষণ টিকে থাকবেন, তা সময়েই বলবে। কারণ, বোলিং সেনাবাহিনীও শুরু করতে পারে।

এই জয়ে অনেকেই বিস্মিত। অনেকেই ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। তবে তাঁর পক্ষেও সোচ্চার অনেকেই। দেশটির নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনুভবের গভীরতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছেন। আয়েশা এএফপিকে বলেছেন, খানের বিজয় ‘মধ্যবিত্তের বিপ্লব’।

পাকিস্তান পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহৎ সামরিক বাহিনী। পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত এরা। কিন্তু সামরিক বাহিনীর প্রভাববলয়ে রাজনৈতিক দিক দিয়ে পাকিস্তানে গণতন্ত্র আজও স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি।

ইমরান খান ক্ষমতা গ্রহণের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের পরিবারতান্ত্রিক শাসনের অবসান হতে যাচ্ছে পাকিস্তানে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি এক শুভ বার্তা। ইমরান খানকে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে—‘চরমপন্থীদের’ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক সংকট, যে কারণে আইএমএফের সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে, পানি ও বিদ্যুৎ-সংকট এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা স্ফীতি। এ ছাড়া পাকিস্তানি সমাজে ধনবৈষম্য ও দুর্নীতি দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইমরান। তবে কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ‘চরমপন্থীদের’ বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন এবং যাবেন। তাঁকে মনে রাখতে হবে, পশ্চিমা বিশ্বে সাধারণভাবে মুসলমানরা এখন কোণঠাসা অবস্থায় আছে। এই অবস্থার প্রতিবাদ করেন যেসব ধর্মপ্রাণ তরুণ, ঢালাওভাবে তাঁরা ‘চরমপন্থী’ বলে আখ্যায়িত হয়ে থাকেন। মজার ব্যাপার, মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত করে রেখে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানো ইহুদিদের পশ্চিমারা কখনোই ‘চরমপন্থী’ বলে না।

ইমরান খান ১৯৯২ সালে পাকিস্তানকে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দিয়েছেন। এবার তাঁর সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ। তা হলো পাকিস্তানে গণতন্ত্রের নতুন যুগের শুরু করা। পাকিস্তানি তরুণদের মনোজগতে ১৯৯২-এর সেই উদ্দীপনা তিনি চালকের আসনে বসে আবার জাগাতে পারবেন, সেই আশায় বুক বেঁধে আছেন তাঁরা। ইমরানের জয়ে বিস্মিত হয়ে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের উদ্দেশে পাকিস্তানের নির্বাচন বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেছেন, পশ্চিমা নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের ওপরতলার দুর্নীতিগ্রস্তদের বিপরীতে ক্রমবর্ধিষ্ণু মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনুভবকে অবমূল্যায়ন করেছেন। মধ্যবিত্তরা একটি নতুন নেতৃত্ব চেয়েছে।

লাহোরভিত্তিক সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী গুল বুখারি বলেছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় পিটিআই নেতৃত্বাধীন ভবিষ্যৎ জোট সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ। ইমরানকে জেতানোর জন্য যা যা করা দরকার, তার সবই করেছে সেনাবাহিনী। নানান বাধা ডিঙিয়ে ইমরান ‘ফিনিশ লাইন’ ছুঁয়েছেন। চালকের আসনে বসে পাকিস্তানকে এগিয়ে নিতে যাচ্ছেন ইমরান। তবে পথ কিন্তু এবড়োখেবড়ো এবং অনিশ্চিত।

পাকিস্তানের জন্ম থেকেই সেনাবাহিনী দেশটির রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। ইমরান খানের টিকে থাকা-না থাকা নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর ওপর। তাঁকে ক্ষমতায় আনতে যেমন সেনারা সবচেয়ে ভূমিকা রেখেছে, তাঁর ক্ষমতায় থাকার পথের প্রধান বাধাও তারা। অনেকে মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইমরান আস্তে আস্তে সেনাবাহিনীর কবজা থেকে বেরিয়ে স্বাধীন প্রধানমন্ত্রী হতে চেষ্টা করবেন। তিন চেষ্টা করলেই যে পারবেন, তা মনে হয় না। কারণ, সেনাবাহিনীর প্রভাব থেকে বের হতে চাইলে তাঁকে বৈরী পরিবেশের মুখে পড়তে হবে। সেনাবাহিনীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পা বাড়ালে ইমরানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া সেনাবাহিনীর জন্য কঠিন কিছুই না। অতীত তা-ই বলে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিযোগ, পাকিস্তানে একটি ‘কসমেটিক’ পরিবর্তন হয়েছে। কে না জানে, সেনাবাহিনীর স্বার্থ উদ্ধার হলে তারা ইমরান খানকে ছুড়ে ফেলে দিতেও দ্বিধাবোধ করবে না, যা ঘটেছে নওয়াজ শরিফের বেলায়ও।

বাস্তবতা হলো, আজ হোক বা কাল, ইমরানের সঙ্গে সেনাবাহিনীর দ্বন্দ্ব হবেই। বিশ্লেষক ফারুক তিরমিজি বলেন, ইমরান আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত খুলে দেওয়ার পক্ষে। আর সেনাবাহিনী চায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া গড়ে তুলতে। ইমরান স্বাস্থ্য-শিক্ষায় বেশি বরাদ্দ রাখতে চান। তাই ইমরান ও সেনাবাহিনীর এই লড়াই হবে ‘বন্দুক বনাম টেক্সট বুকের’ লড়াই।

পাকিস্তানের মতো একটি বিশৃঙ্খল দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান কোনো পরিবর্তন আনতে পারবেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ডেনিয়েল মার্কি একটি বার্তা সংস্থাকে বলেন, ‘ইমরান একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় আগের সরকারের সেই পুরোনো লোকবলের সঙ্গেই কাজ করতে হবে। এ ছাড়া তাঁর পেছনে রয়েছে সেনাবাহিনী—এমন অভিযোগও রয়েছে। ফলে নতুন কিছু দেখাতে পারবেন বলে মনে হয় না।’

হে ভাইয়া (বিবাহিত/ অবিবাহিত) আপনাকেই বলছি

হে ভাইয়া (বিবাহিত/ অবিবাহিত) আপনাকেই বলছি” মনে বড্ড কষ্ট আর আফছূছ নিয়ে লিখছি।

সামাজিক অবক্ষয়ে আমি আপনি আমরা সবাইও কি ভেসে বেড়াবো? নন-প্রাকটেসিং পরিবারে আমার দ্বীন প্রাকটেসিং ভাইবোনগুলো সবথেকে যে সমস্যাটির মুখোমুখি হন তা হল বিয়ে নিয়ে।

“দুনিয়াটাই সবুজ আকর্শণীয় সম্পদে ভরপুর, আর দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে নেককার স্ত্রী।” বুখারী-মুসলিম।

প্রিয় ভাইয়ারা এ অমূল্য সম্পদ রক্ষা ও হেফাজত করতে অনেক বোনেরা খুব বেশী ভুগছেন তবে ভাইয়ারাও কম নয়। আসুন না আজকে না হয় ভাইয়াদের সমস্যাগুলো নিয়েই আলোচনা করি।

এই লেখা দিয়ে ভাইয়াদেরকে একটু পরামর্শ দেয়া যায় কিনা! ভাইয়ারা যখন বিয়ের জন্য দ্বীনি পাত্রী খোঁজে তখনই সমস্যা গুলোর সূচনা।

মায়ের পছন্দ সুন্দরী মেয়ে, ভাইয়ের পছন্দ স্মার্ট মেয়ে, বাবার পছন্দ শিক্ষিত মেয়ে, দুলাভাইয়ের পছন্দ চালাক-চতুর মেয়ে, বোনের পছন্দ শান্ত নমণীয় ব্যবহারের মেয়ে, আর আপনার নিজের পছন্দ দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। যে মেয়ে প্রত্যেকের হক্ব বুঝবে পর্দায় থাকবে।

সবার মত আর মতানৈক্য নিয়ে টেনেটুনে বিয়ে পর্যন্ত যখনই গড়ায় তখনই শুরু হয় আরো নতুন নতুন সমস্যার। রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ মহিলাদের চারটি জিনিস দেখে বিয়ে করোঃ

১/ সম্পদ

২/ বংশ

৩/ সৌন্দর্য

৪/ দ্বীনদারিতা। আর দ্বীনদারিতাকেই বেশী প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। (বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৯৯)

কিন্তু যখনই ভাইয়ারা দ্বীনদারিতাকে প্রাধান্য দিয়ে কোন দ্বীনি মেয়েকে বিয়ে করেন তখনই স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বিপাকে পড়ে যায়।

“বউকে বিয়ের পরবর্তীতে সবার সাথে পরিচয় পর্বে যা করানো হয়। শাশুড়ী এসে বলেন “এত পর্দা করতে হবেনা, মুখটা না ঢাকলে কি হবে তোমার দুলাভাই হয়তো?”
“এই যে তোমার দেবর একটু কথা বলো” “মুখটাকে এমন গোঁমরা করে রেখোনা আত্মীয়-স্বজন আসলে তাদের সাথে হেসে হেসে কথা বলো।

ইনি তোমার চাচা শশুর” “উনি তোমার জা’য়ের ভাই” “এই তো দেখ ও আমার ভাতিজা” “এই আমার ভাগিনা” এদের সাথে সবসময় ভালো সম্পর্ক রাখবে।

“এই আমার বোনের জামাই তোমার খালু শশুর” এত সময় ধরে নামাজ পড়লে বাকি কাজ কখন করবে? এমন কথার মার প্রতি নিয়ত খেতে হয় একজন দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত বোনকে। একজন পর্দানশীল স্ত্রীকে।

একবারও ভাবেন না একজন শাশুড়ীর নিজের কতটা দ্বীনি জ্ঞান রাখা দরকার অথচ তিনি তা না রেখে তিনি একজন পর্দানশীলা পূত্রবধূকে বিয়ের প্রথমদিন থেকেই বেহায়া আর নির্লজ্জতা শেখাচ্ছেন। তিনি নিজেও বুঝতে পারেন না কিভাবে গুনাহের অতলে ঠেলে দিচ্ছেন নিজের পরিবারকে। এরপর থেকে শুরু হয় দুলাভাইয়ের, দেবরদের, রসিক রসিক কথার।

কখনো কখনো এখানে ওখানে খোঁচা দেয়া, মাঝে মধ্যে হাত ধরে নাক ধরে টানাটানিও কিন্তু বাদ যায়না। (নাউজুবিল্লাহ) কত জঘন্য রুচি। কিছু কিছু মানুষের মন-মানষিকতা কখনো পরিবর্তন হয়না। আর মুরুব্বীদের প্রশ্রয় দেয়াটা এজন্য খুবই বেশী দায়ী। ভাইয়ারা ভাবছেন এক্ষেত্রে কি করা উচিৎ?

আপনি লজ্জায় চুপচাপ আল্লাহর উপর ভরসা করে তাকিয়ে তাকিয়ে সহ্য করলে হবেনা। আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেনঃ অন্যেয়ের বিরুদ্ধে লড়তে, চেষ্টা আর ভরসা দু’টোই থাকতে হবে। আপনাকে প্রতিবাদি হতে হবে।

আপনাকে কারো কারো কাছে লাঞ্চিত হবার মানষিকতা থাকতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে আঘাত পাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ভাইয়ারা একটা কথা সবসময় মাথায় রাখতে হবে আপনার স্ত্রী শুধুই আপনার একার সম্পদ। এসম্পদ আর কারোর না। আপনি অনেক প্রতিরক্ষার পর যে সম্পদ পেয়েছেন তা কি এত সস্তা? আপনাকে স্বার্থপর হতে হবে এসম্পদ রক্ষার্থে। কখনো তাকে তার নিজের উপর ও মুরুব্বীদের কথার উপর ছেড়ে দিবেন না।

যখন আপনার মা বলে বউমা তোমার দেবর এসেছে, শুনে আপনার স্ত্রী মুখ লুকাচ্ছে বা দৌড়ে আড়ালে যেতে চাইছে আপনার মা বলছে এতো মুখ লুকাতে হবেনা। তাকে আপ্যায়ন করো। তখন আপনি বলুন ” মা পর্দা করেও কিন্তু আপ্যায়ন করা যায়।” আর নরম ভাষায় আপনার পরিবারকে আল্লাহর বিধি-নিষেধ সম্পর্কে অবগত করুন

যখন আপনার দুলাভাই তামা(শার ছলে অশ্লীল কথা বলে তখন দুলাভাইয়ের প্রতি সম্মান দেখানো বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান দেখান আপনার পর্দানশীল স্ত্রীর প্রতি সম্মান দেখান কেননা আপনার দুলাভাই এখানে অপরাধী। আপনি বলুন; ” আমার স্ত্রীর সাথে মার্জিত ভাষায় কথা বলুন। এবং প্রয়োজনীয় কথার বাহিরে কথা বলবেন না।”

ভাইয়া ভুলে যাবেন না আপনি তার সম্পদের মালিক, আপনার স্ত্রীর সুষ্ঠু রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব শুধুই আপনার। আর আপনার অধীনস্তদের ব্যপারে মহান আল্লাহ আপনাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

অনেক বড় বড় আলেমকে দেখেছি, তাঁর বালেগ হওয়া ছোট ছেলেকে দিয়ে বড় ছেলের বউকে বাপের বাড়ি থেকে শশুরবাড়ি আনা-নেয়া করায়।” এতে নিজেও গুনাহগার হচ্ছেন আর তাদেরকেও গুনাহ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

আমি বলছি না সবাই এক রকম।তবে যে সকল ভাইয়ারা প্রবাসে থাকেন তাদের স্ত্রীদের বাপেরবাড়ি আনা বা নেয়ার ক্ষেত্রে বা আপনার পূত্রবধুকে আপনি তার বাবার বাড়িতে দিয়ে আসবেন নিয়ে আসবেন।

আর কখনো সমস্যা দেখা দিলে মেয়ের বাবা বা ভাইয়ারা দিয়ে যাবে। আমাদের কারনেই আজকে ইসলামধর্ম বিপন্ন।

কতেক আলেমের এই আচরণের কারনে জনসাধারন প্রশ্ন ছুড়ে দেয়।

এই যে তাদরকে সুযোগ করে দিচ্ছেন প্রশ্ন করতে তখন আপনি নিজেই হেয় হচ্ছেন তাদের কাছে।

আপনি আলেম অবশ্যই আপনি কোরআন ও হাদীসের অনুসরনে জীবন পরিচালনা করবেন। এতে করে সাধারনেও আপনার অনুসরন করবে। আপনাদের খামখেয়ালির কারনে ইসলামকে ছোট করবেন না।

বিবাহ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে একটি সুদৃঢ় বন্ধন। আল্লাহ তা’আলা এর চির স্থায়িত্ব পছন্দ করেন, বিচ্ছেদ অপছন্দ করেন।

হযরত আবু নাজি (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারিম (সাঃ) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিয়ের সামর্থ্য রাখে, অথচ বিয়ে করে না, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’ (আত তারগিব)

হযরত আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘যখন কোনো বান্দা বিয়ে করল তখন তার দ্বীনদারির (ধর্মপালনের) অর্ধেক পূর্ণ করল। এখন বাকি অর্ধেকের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় পাওয়া প্রয়োজন।

যে কারনে বাংলাদেশীদের ক্রোধ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী

ক্রোধ বা রাগ একটি মারাত্বক খারাপ গুণ। বাংলাদেশীদের ক্রোধ আমার কাছে মনে হয় পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী। রাস্তায় চলার পথে অনেক মানুষকে অকারনে রাগ করতে দেখি। অথচ রাগ নিয়ন্ত্রন করা একটি মহৎ গুন।

রাগ হচ্ছে শয়তানের একটি অন্যতম অস্ত্র। যাকে যত বেশী রাগিয়ে দেওয়া যাবে, তার দ্বারা তত খারাপ কাজ করিয়ে নেওয়া যাবে। রাগের কারনেই খুন, স্ত্রী তালাকের মত গর্হিত কাজ গুলো সহজেই সম্পন্ন হয়। রাগ নিয়ন্ত্রন না করতে পারলে আমাদের প্রভূত অন্যায় কাজে শরিক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

ক্রোধ মানুষের স্বভাবজাত। স্বভাব থেকে তা সম্পূর্ণরূপে দূর করে দেয়া সম্ভব নয়। তাই ক্রোধের মুহূর্তে নিজেকে সংযত রাখার জন্য রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বিভিন্ন উপায় নির্দেশ করেছেন। একটি হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- ক্রোধ শয়তানের পক্ষ থেকে, আর শয়তান আগুনের তৈরি, বস্তুত আগুন পানি দ্বারা নিভানো হয় সুতরাং তোমাদের কেউ যখন ক্রোধান্বিত হয় তখন সে যেন অযু করে নেয় ।

ক্রোধের মুহূর্তে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং অনেক সময় এমন কাজ করে বসে যা তার জন্য বিশেষ গ্লানি বয়ে আনে। একটি হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ ক্রোধ ঈমানকে এমনভাবে বিনষ্ট করে দেয়, যেমনিভাবে ছাবির (এক প্রকার তিক্ত ফল) মধুকে নষ্ট করে দেয় ।

হযরত আবু যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমাদের কারো ক্রোধ আসে তখন সে যদি দাঁড়ানো থাকে তবে যেন বসে যায়, এতে যদি রাগ চলে যায় ভালো, অন্যথায় সে যেন শুয়ে পড়ে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্রোধের পরিণাম হয় নিতান্ত দুঃখজনক। এই কারণেই প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিভিন্নভাবে এ ব্যাপারে সাবধান করেছেন। এক হাদীসে তিনি ইরশাদ করেনঃ তোমরা ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকো, কেননা ক্রোধ হলো একটি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ’। তবে উল্লেখ্য যে, শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানানো নিন্দাযোগ্য নয়, বরং নাহী আনিল মুনকার বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করার নির্দেশও হাদীসে পাকেই রয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ ‘তোমাদের মধ্যে কেউ কোন গর্হিত কাজ হতে দেখলে সে যেন শক্তি থাকলে হাত দিয়ে (শক্তি প্রয়োগ করে) তা বন্ধ করে দেয়। তা সম্ভব না হলে কথার মাধ্যমে, তাও সম্ভব না হলে সে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, এটা হচ্ছে ঈমানের দুর্বলতম স্তর’।

ক্রোধের নানাবিধ ক্ষতি বিবেচনা করেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ক্রুদ্ধ না হবার নির্দেশ দিয়েছেন। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ একদা জনৈক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললো, আমাকে উপদেশ দিন এবং অধিক উপদেশ দিবেন না, যাতে আমি আমল করতে না পারি। তিনি বললেনঃ তুমি ক্রুব্ধ হবেনা। সে কয়েকবার একই কথা জিজ্ঞেস করলো আর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও প্রত্যেকবার একই জবাব দিলেনঃ তুমি ক্রুদ্ধ হবেনা।

এ হাদীসের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলা যায়, যাতে আমার আপনার যে বিষয়ে ক্রোধ উদ্রেক হয়, সেই সকল বিষয় গুলো এড়িয়ে চলবো। (স্বভাব থেকে ক্রোধ মিটিয়ে দিবে এমন অর্থ নয়)। কারণ ক্রোধ মানুষের সত্তাগত যা স্বভাব থেকে বের করে দেয়া সম্ভব নয়। অথবা এ আদেশের অর্থ হলো- তুমি এমন কথা ও কাজ করবে না যা তোমাকে ক্রোধের প্ররোচনা দিবে।

ক্রোধের মুহূর্তে নিজেকে সংযত রাখা সহজ নয়। তাই এহেন মুহূর্তে মহান আল্লাহ তা‘আলার আশ্রয় প্রার্থনা করা কর্তব্য। পাশাপাশি ক্রোধ সংবরণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নির্দেশিত উপায় অবলম্বন করা এবং ক্রোধ দমনের ফযীলত স্মরণ করাও এ ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে থাকে। ক্রোধ দমনের ফযীলত প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ ‘প্রকৃত বীরপুরুষ ঐ ব্যক্তি নয়, যে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে ফেলে বরং প্রকৃত বীর পুরুষ ঐ ব্যক্তি যে ক্রোধের মুহূর্তে নিজেকে সংযত রাখতে পারে।’ অন্য হাদীসে রাসূল সা. ইরশাদ করেনঃ কোন বান্দা মহান আল্লাহ তা‘আলার দৃষ্টিতে ক্রোধের ঢোক অপেক্ষা উত্তম ঢোক গলাধ:করণ করে না যা সে আল্লাহর জন্য সংবরণ করে। [আহমদ]

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেনঃ আল্লাহর বাণী ‘মন্দকে ভালোর দ্বারা দমন করো’ এর মর্ম হলো- ক্রোধের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং মন্দ ব্যবহার ক্ষমা করা। যখন মানুষ এই নীতি অবলম্বন করবে তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবেন এবং শত্রুদেরকে এমনভাবে অনুগত করে দিবেন যেন, তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

মানবিক দুর্বলতা বশতঃ অনেক সময় আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায় এবং আমরা পরস্পরের প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করি। তবে আমাদের স্বভাবের মধ্যে আল্লাহ প্রদত্ত শুভবৃত্তির ফলে আমরা শান্ত হই এবং বিবেকের দাবিতে এসব পরিস্থিতির জন্য অনুতপ্ত হই। সেক্ষেত্রে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে পরস্পরে সমঝোতা করে নেওয়া এবং অপ্রীতিকর অবস্থার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা। রাসূলে কারীম (সাঃ) একটি হাদীসে ইরশাদ করেছেনঃ ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তি যার ক্রোধ আসে বিলম্বে এবং শান্ত হয় তাড়াতাড়ি, আর তোমাদের মধ্যে নিকৃষ্ট ঐ ব্যক্তি যে দ্রুত ক্রোধান্বিত হয়’।

ক্রোধকে স্থায়িত্ব দেয়ার চেষ্টা করা ইসলাম ও মানবিকতার দৃষ্টিতে খুবই নিন্দনীয়। ক্রোধের বশে এমন কিছু বলা বা করাও বুদ্ধিমানের কাজ নয় যার ফলাফল স্থায়ী। এহেন ক্রোধের পরিণতি কখনো শুভ হয় না। কিন্তু দুঃখপ্রদ হলেও সত্য যে, আমাদের সমাজে অনেকে এমনটিও করে থাকেন, তারা একবার ক্রুদ্ধ হলে আর শান্ত হতে চান না এবং অপর পক্ষ কোনভাবেই ছাড় দিতে রাজী হন না, এভাবে সম্প্রীতি স্থাপনের পথ রুদ্ধ করে দেন। কেউ কেউ ক্রোধকে মৃত্যু পরবর্তী জীবনেও কার্যকর রাখতে প্রয়াসী হন এবং প্রতিপক্ষের জানাযাতেও শরীক না হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আবার কেউ কেউ ক্রোধের বশে ভ্রাতৃত্ব ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। ক্রোধের আতিশয্যে অন্যদেরকেও আত্মীয়তা ছিন্ন করার প্ররোচনা দেন। এভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল ও কোনঠাসা করার নানামুখী প্রচেষ্টায় লিপ্ত হন। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষণা হলো- ‘আত্মীয়তা ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না’। অন্য হাদীসে ইরশাদ হয়েছে- ‘যে তোমার সঙ্গে আত্মীয়তা ছিন্ন করে তুমি তার সাথে আত্মীয়তা রক্ষা কর, যে তোমাকে বঞ্চিত করে তুমি তাকে দান করো আর যে তোমার প্রতি যুলুম করে তুমি তাকে ক্ষমা কর ’।

হাদীসের এ সকল পরিস্কার বক্তব্য থাকা সত্ত্বেও আমরা অনেক সময় শয়তানের প্ররোচনায় ভুল নীতি অবলম্বন করি এবং ক্রোধকে মার্জিত রূপ দেয়ার জন্য বলে থাকি যে, প্রতিপক্ষের সংশোধনের জন্য এসব করছি। কিন্তু এ কথা বিবেচনায় রাখি না যে, কুরআন হাদীস বহির্ভূত ক্রোধসঞ্জাত এসকল সংশোধন পদ্ধতির প্রয়োগ অকল্যাণকেই বৃদ্ধি করবে এবং পরস্পরের মধ্যে শত্রুতাই বাড়াবে। এ পর্যায়ের সুধীদের কাছে হাদীসে পাকের পবিত্র বাণী তুলে ধরা হলে তারা বলে ওঠেন- আমাদেরকে কি হাদীস শেখাতে হবে? এটা খুবই আক্ষেপের ব্যাপার। কারণ এহেন বক্তব্যে পবিত্র হাদীসের প্রতি সম্মানবোধের কোন পরিচয় নেই। সাহাবায়ে কেরামের আদর্শ ছিল, তারা যে কোন অবস্থাতেই কোন নগণ্য মানুষের কাছ থেকেও কুরআন হাদীসের উদ্ধৃতি শুনলে শান্ত হয়ে যেতেন এবং কুরআন হাদীসের বাণীর প্রতি নিঃশর্ত শ্রদ্ধায় বিনীত হতেন।

এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা অনেকেরই জানা আছে। একবার হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর এক ভৃত্য তার খিদমত করার সময় হাত থেকে একটি পেয়ালা পড়ে ভেঙ্গে যায়। মানবিক কারণে ইমাম হোসাইন (রাঃ). রাগান্বিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ভৃত্যটি কুরআন শরীফের নিম্নলিখিত আয়াত পড়া শুরু করে দেয়- ‘এবং যাহারা ক্রোধ সংবরণকারী এবং মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল; আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের ভালবাসেন’। এ বাণী শোনার সঙ্গে সঙ্গে ইমাম হুসাইন (রাঃ) শান্ত হয়ে গেলেন এবং তাকে আযাদ করে দিলেন। শুধু তাই নয় তার জন্য মাসিক ভাতাও নির্ধারণ করেন তিনি।

হাদীস শ্রবণের সাথে সাথে নিজের সিদ্ধান্ত ও মত বদলে ফেলেছেন- সাহাবায়ে কেরামের জীবনে এমন অসংখ্য ঘটনা খুঁজে পাওয়া যাবে। সাহাবাগণ এভাবেই জীবনের সর্বত্র কুরআন হাদীসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আদর্শ রেখে গেছেন। তাদের সে আদর্শ সর্বযুগের মানুষকেই প্রভাবিত করেছে। পক্ষান্তরে যারা ক্রোধ ও জেদের প্ররোচনায় পবিত্র কুরআন হাদীসের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ব্যর্থ হন, তারা সমাজের কোন আদর্শ হতে পারেন না। বরং তারা সমাজে দিন দিন মর্যাদা হারিয়ে ফেলতে থাকেন।

ক্রোধ ও বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে সত্য ও ন্যায়নীতিকে পরিহার করা গুরুতর স্খলন এবং শরীয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত নিন্দনীয়। পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন- ‘কোন সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে কখনো সুবিচার বর্জনে প্ররোচিত না করে সুবিচার করবে, ইহাই তাক্বওয়ার অধিক নিকটতর এবং আল্লাহকে ভয় করবে, তোমরা যা কর নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সম্যক খবর রাখেন’ । তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা আমাদের একান্ত কর্তব্য।

আমাদের এই সমাজেই এক শ্রেণীর মানুষ আছেন, দেখতে তারা সাধু-সন্তের মত। কিন্তু ক্রোধের মুহূর্তে অধীনদেরকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন। তাদের মুখে কোন প্রকার লাগাম থাকে না। ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ মানুষকে নির্লজ্জের মত এমন সব অশালীন ভাষায় গালি দেন যার বর্ণনা দিতেও রুচিতে বাধে। বস্তুত এহেন উত্তেজনা নৈতিক অসুস্থতার পরিচায়ক এবং সুস্পষ্ট ফাসেকী। আবার তা যদি হয় নিজের অবৈধ ইচ্ছার প্রতিফলনের জন্য তবে তা আরো গুরুতর। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘মানুষ হত্যা কুফরী আর গালি দেয়া ফাসেকী’।

অনেক সুধী আছেন যারা নিজেদের ভুল ও অন্যায়ের কোন প্রতিবাদ একদম সহ্য করতে পারেন না। এতে তারা খুবই ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠেন। সমাজে কিছু ভালো অবদান রাখার প্রেক্ষিতে নিজেকে সর্বরকম প্রতিবাদ ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে জ্ঞান করেন এবং প্রতিবাদকারীর প্রতি জেদবশতঃ নিজের ভুল ও অন্যায়কে যে কোন উপায়ে টেনে হেঁচড়ে বৈধতার পর্যায়ে রাখতে চান। এ মনোভাব আমাদের নৈতিক দৈন্যকেই স্পষ্ট করে তোলে। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে কখনো এমন মনোভাব ছিলো না। তারা নিজেদের ভুল ও অন্যায়ের প্রতিবাদ তো মেনে নিতেনই, উপরন্তু এমনও অনেক ঘটনা আছে যে, প্রতিবাদকারী প্রকৃত তথ্য জানতে না পেরে জনগণের সম্মুখে ভুল প্রতিবাদ করেছেন আর খলীফাতুল মুসলিমীন অত্যন্তু ধৈর্যসহকারে সে প্রতিবাদের জবাব দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর (রাঃ)এর জীবনের দু‘টি ঘটনা এখানে তুলে ধরছিঃ

১. একবার তিনি বিবাহে অধিক মহর ধার্য করার বিপক্ষে সাহাবায়ে কেরামের মজলিসে বক্তব্য রাখছিলেন। হঠাৎ একজন মহিলা দাঁড়িয়ে এর প্রতিবাদ করলেন। বললেন থামুন, হে উমর! আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে দিচ্ছেন আর আপনি আমাদেরকে বঞ্চিত করছেন? পবিত্র কুরআনের নিম্নলিখিত আয়াতের মাধ্যমে তিনি অধিক মহর ধার্য করার বৈধতার পক্ষে প্রমাণ দিলো-

‘তোমরা যদি এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা স্থির কর এবং একজনকে অগাধ অর্থও দিয়ে থাক, তবুও তা থেকে কিছুই প্রতিগ্রহণ করো না’ । মহিলার উচ্চারিত আয়াত শুনে উমর (রাঃ) যে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন তা চির শিক্ষণীয় হয়ে আছে। তিনি তখন বলে ওঠেন : ‘এক নারী সঠিক বলেছে আর এক পুরুষ ভুল করে ফেলেছে ’।

২. একদিন নতুন জুব্বা পরিহিত হয়ে মসজিদে খুতবা দিতে দাঁড়িয়েছেন হযরত উমর রাঃ। এমন সময় এক ব্যক্তি প্রতিবাদ করে ওঠেন এবং এ মর্মে প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে, গনীমতের মাল থেকে সবাইকে এক একটি করে চাদর দেয়া হয়েছে। জুব্বা তৈরির জন্য তো দু‘টি চাদরের প্রয়োজন। তাহলে আপনি দু‘টি চাদর পেলেন কী করে? খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর (রাঃ) প্রশ্নকারীকে ধমক না দিয়ে তার প্রশ্নের জবাব দিলেন। তিনি জবাবে বললেনঃ তাঁর ছেলে ইবনে উমরের চাদরটিও সে তাকে দিয়ে দিয়েছে বিধায় উমর (রাঃ) দুই চাদরের অধিকারী হয়েছে এবং জুব্বা বানাতে সক্ষম হয়েছে।

প্রিয় পাঠক! দেখুন, সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে কী চমৎকার বিনয় ও জবাবদিহিতার মনোভাব ছিল। তাদের কথা-বার্তা, বিনয় এবং সত্যপ্রিয়তার মধ্যে মানুষ আদর্শ খুঁজে পেতো এবং ইসলামের পথে উদ্বুদ্ধ হতো। পক্ষান্তরে বর্তমানে আমরা অনেকেই আছি, কোন অভিযোগ বা আপত্তির মুখোমুখি হলে বলি- ‘আমার ব্যাপারে আপনি এমন ধারণা করতে পারেন? আমি কি এমন মানুষ? আমাদের সততার প্রতি কি আপনার আস্থা নেই? ইত্যাদি।

কেউ কেউ আবার প্রশ্নকারীকেই কঠোরভাবে জব্দ করে ছাড়েন। অভিযোগটি সঠিক কি-না সে প্রশ্ন তার কাছে কোন গুরুত্বই রাখে না বিধায় অভিযোগের কোন উত্তর দেয়ারও প্রয়োজন বোধ করেন না। বরং সর্বপ্রকার আপত্তি ও জবাবদিহিতার দাবীকে অত্যন্ত ধৃষ্টতা বলে বিবেচনা করেন। এহেন ক্রোধ ইসলামের দৃষ্টিতে নিন্দিত। আমাদের প্রত্যেকের এ কথা মনে রাখা কর্তব্য যে আমরা কেউ-ই ধোয়া তুলসী পাতা নই। আমাদের প্রত্যেকেরই দোষ-গুণ আছে, ভুল-বিচ্যুতি ও স্খলন আছে। সুতরাং নিজেকে সকল আপত্তি ও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে বিবেচনা করার কোন যুক্তি নেই। এ কথাটি মনে রাখলে আর প্রশ্নের সম্মুখীন হলে ক্লেশ বোধ হবে না। মহান আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে ক্রোধ এবং ক্রোধের সর্বপ্রকার অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন।

শরীর শিউরে উঠে যখনি কোনো শিশু ধর্ষনের খবর শুনি

শরীর শিউরে উঠে যখনি কোনো শিশু ধর্ষনের খবর শুনি, তাই আমার ফ্রেন্ড লিস্টের শকল কে এই ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য জোরদার দাবি জানাচ্ছি।

আপনি যদি কোনো মেয়ে বাচ্চার অভিবাবক হন আপনি তাকে সবসময় খেয়াল রাখবেন, কোথায় যাচ্ছে কার সাথে কথা বলছে ইত্যাদি।বাচ্চাকে শিখিয়ে দিবেন পাড়াপড়শি কোনো পুরুষ ডাকলে সে যেন তার সাথে না যায়।বিশেষ করে যদি কারো সম্প্রকে জানা থাকে যে এই ব্যাক্তির চরিত্র খারাপ তার নাম বলে বাচ্চাকে সাবধান করে দিবেন সে জেনো তার কাছে না যায়। ইস্কুলে পাঠালে, পাড়লে কেউ সাথে নিয়ে যাবেন নিয়ে আসবেন আর যদি সেটা সম্ভব না হয় তাহলে অন্য বাচ্চাদের সাথে একসাথে সবসময় আসাযাওয়া করতে বলে দিবেন।

আর আপনি এটাও খেয়াল রাখবেন চার পাচ বছরের উপরের কোনো মেয়ে বাচ্চাকে কখনো কোনো নন মাহরমের সাথে রাতে এক বিছানায় দিবেন না।অনেক সময় দেখা যায় বাড়িতে অনেক মেহমান থাকার কারনে বাচ্চাদেরকে অন্যদের সাথে,যেমন ননমাহরম ভাই অথাবা খালু ফুফাদের মাজে দেয়া হয়।এ কারনে বাচ্চারা অনেক সময় যৌন হয়রানিতে শিকার হতে পাড়ে। এমনকি আপনাকে আরো খেয়াল রাখতে হবে মাহরম,যেমন চাচা, মামা এদের মধ্যে কাউকে যদি আপনার চোখে সন্দেহজনক মনে হয় যে তার চরিত্র খারাপ তাহলে তার থেকেও দূরে রাখতে হবে।

আর বাচ্চাদেরকেও শালিন পোশাক পড়াবেন। কারণ ভিবিন্ন আকার্ষনীয় ড্রেস পড়ে ঘোরাঘুরি করলে হতে পাড়ে খারাপ লোক গুলি এর মাধ্যমে প্রলুব্ধ হবে।
আর আমি যেটা অপছন্দ করি সেটাও বলি যে,আপনার বাসায় কোনো মেহমান আসলে অথবা আপনি কোথাও নিয়ে গেলে বাচ্চাদেরকে খেয়াল রাখবেন তারা যেনো মেহমানদের রানে কোলে না বসে,আর কখনো জার্নি অবস্তায়ও মেয়ে বাচ্ছা কোনো পুরুষ আত্বীয়দের কোলে বসাবেন না। বাবা, আপন ভাই, বা বিশ্বাসযোগ্য চাচা, মামা ছাড়া।

আমাদের অসচেতনতার কারনে যদি একটি নিষ্পাপ ফুল কলিতেই ঝরে পড়ে, কি জবাব দিবেন জখন সে বড় হয়ে জানতে চাইবে যে আমাকে কেনো টেককেয়ার করনি? তোমাদের অবহেলার কারনে আজ আমার এই অবস্তা? তখন কি জবাব দিবেন?

চলুন একটা খেলা খেলি! খেলা শেষে আপনার অনুভুতি comment করে জানাবেন প্লিজ!

চলেন একটা খেলা খেলি!! খেলা শেষে আপনার অনুভুতি comment করে জানাবেন প্লিজ!

কিন্তু প্লিজ আমি যা বলবো তা সত্যি সত্যি করবেন। আমি কোন মিথ্যা কিছু করতে বলবো না, যা বলছি অবশ্যই খুব মন দিয়ে অনুসরন করবেন।

১ম step:–

আপনাকে যে কাজটা করতে হবে। তা হলো আপনাকে ৩ মিনিট নিশ্বাস বন্ধ করে রাখতে হবে।। প্লিজ ভাই আপনি নিস্বাস বন্ধ না করে আমার লেখা পড়লে কোনই লাভ নাই।

আমি যেই খেলার কথা বলছি তা তাহলে আপনি করলেনই না!! নিশ্বাস একবার ভালো করে নিয়ে বন্ধ করে রাখুন। নিশ্বাস ছাড়তে পারবেন না ৩ মিনিট।

আর চোখ বন্ধ করে নিশ্বাস আটকে রাখবেন। যখন দেখবেন আর নিশ্বাস না ছেড়ে পারছেন না। মানে একদম সর্ব লাষ্ট পর্যন্ত না ছাড়ার চেষ্টা করবেন,

মানে যখন ছাড়তে না পারলে আপনার মৃত্যু হবে তখন ছাড়বেন। কেউ ৩ মিনিট না পারলে যতক্ষন পারবে ততক্ষনই হবে।

অর্থাৎ যখন দেখবেন শ্বাস না ছাড়লে মারা যাবেন এমন অবস্থা তখন ছাড়তে পারবেন।। যতক্ষন বেশি কষ্ট করতে পারবেন এই খেলা আপনার জন্য ততই ভালোই লাগবে। তো খেলা শুরু করা যাক।

চোখ বন্ধ করতে হবে প্লিজ!! তা না হলে আমি যে বিষয়টা বুঝাতে চাচ্ছি না আপনি ভালোভাবে feel করতে পারবেনই না!! এখন আর কথা বাড়াচ্ছি না।

চোখ বন্ধ করে যতক্ষন পারেন নিশ্বাস বন্ধ করে রাখুন

করা শেষ হলে এখন 2nd step………………

যারা এখনো বন্ধ করেন নাই এখনি আগে নিশ্বাস বন্ধ করার কাজ করে ফেলুন চোখ বন্ধ করে.

আমি কিন্তু 2nd step এ চলে যাচ্ছি!!!

২য় step:–

অনেক কষ্ট হচ্ছিল আপনার তাই না??? আচ্ছা এমন মনে হচ্ছিল না যে, আমি আর একটু পড়েই মারা যাবো!!

কি ঠিক এমনই মনে হচ্ছিলো না!! আপনি কি জানেন!!

আপনার মৃত্যুর দিনও আপনার ঠিক এভাবেই আসতে আসতে শ্বাস বন্ধ হতে থাকবে….

আপনি কিন্তু আর সয্য করতে না পেরে নিশ্বাস ছেড়ে ফেলছেন তাই না!!!!

কিন্তু আপনার মৃত্যুর দিন আপনি আর নিশ্বাস ছাড়তেও পারবেন না নিতেও পারবেন না। কতই না কষ্ট হবে তাই না!!

আপনার কিন্তু এমন মনে হচ্ছিল যে আর একটু আটকে রাখলে আমি যে জায়গাতে পৌছাতাম তা হতো পরকালে।

আমার dead body আমার সামনে আর আমার আত্নাটা তাকিয়ে আমার body কে দেখছে!!

এখন বলেন আপনি দৈনিক যে পাপ করে যাচ্ছেন, তার কোন ভালোলাগা সেই দম বন্ধের পর পাবেন??

তখন আপনার সাথি হবে শুধুই আপনার নেক আমল।। আল্লাহ বলেন”প্রতিটি প্রানীয় মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে”

আমি যে খেলাটির কথা বলেছিলাম। তা হলো আপনাকে মৃত্যুর সামান্য স্বাদ গ্রহণ করানোর খেলা

এই খেলায় তারাই জয়ী হবে যারা আসল মৃত্যুর আসার আগে নিজেকে সংশোধন করতে পারবে।

আমায় মাফ করবেন আপনাকে শ্বাস বন্ধ করার কষ্টে ফেলার জন্য।